Bengali Meaning of “Thank You Ma’am” by Langston Hughes, “Thank You Ma’am” Text – এর বাংলা মানে। Class XII, WBCHSE.

Bengali Meaning of “Thank You Ma’am” by Langston Hughes, “Thank You Ma’am” Text – এর বাংলা মানে। Class XII, WBCHSE. Get the Bengali meaning of the whole text of “Thank You Ma’am” by Langston Hughes. Very important for the students of class 12 in West Bengal. If you want to score a very good result in your final examination then don’t delay to read it regularly.

Thank You Ma'am Text in Bengali

তিনি ছিলেন এক বিশাল আকারের (অর্থাৎ বিশাল চেহারার মহিলা), তার সঙ্গে ছিল একটি বিশাল বড় টাকার ব্যাগ যার মধ্যে হাতুড়ি ও পেরেক বাদ দিয়ে সব কিছুই ছিল। এটার (অর্থাৎ ব্যাগটার) ছিল একটি লম্বা বা দীর্ঘ ফিতে, এবং তিনি এটি বহন করতেন (অর্থাৎ নিয়ে যেতেন) ঝুলিয়ে তার কাঁধে। সময়টা ছিল প্রায় রাত্রি এগারোটা, এবং তিনি একাই হাঁটছিলেন, যখন একটি ছেলে তার পিছন থেকে ছুটে এল এবং ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করল তার টাকার ব্যাগটা। (ব্যাগের) ফিতেটি ছিঁড়ে গেল পিছন থেকে ছেলেটির দেওয়া একটি হ্যাঁচকা টানে, কিন্তু ছেলেটির ওজন এবং টাকার ব্যাগটির সম্মিলিত ওজনে এমন ভাবে সে অর্থাৎ ছেলেটি তার ভারসাম্য হারালো, (যে) ছুটে পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে, যেমনটা সে আশা করেছিল, ছেলেটি চিৎ হয়ে পড়ে গেল ফুটপাতে এবং তার পা গুলো উপরের দিকে করে। বিশাল চেহারার মহিলাটি শুধুমাত্র ঘুরলেন এবং লাথি মারলেন ঠিক তার নীল জিন্স পরা প্যান্টের পিছনে (অর্থাৎ পাছায়)। তারপর তিনি নুইলেন (অর্থাৎ ঝুঁকলেন), ছেলেটিকে তুললেন তার জামার সামনের দিকের কলার ধরে এবং তাকে অর্থাত ছেলেটিকে ঝাঁকুনি দিলেন যতক্ষণ না তার দাঁত ঠকঠক করতে লাগলো।

তারপরে মহিলাটি বললেন, “আমার টাকার ব্যাগটা তুলে দে, ছেলে, এবং এটা এখানে দে। সে তখনো তাকে ধরে ছিল। কিন্তু তিনি যথেষ্ট নিচু হলেন (অর্থাৎ ঝুঁকলেন) ছেলেটিকে নিচু হতে (অর্থাৎ নুইতে) দেওয়ার জন্য এবং তার টাকার ব্যাগটা তোলার জন্য। তারপর তিনি বললেন, “তোর নিজের জন্য তুই নিজে লজ্জিত নয়?”

তার জামার সামনের অংশটা শক্ত করে ধরে, ছেলেটি বলল, “হ্যাঁ ম্যাডাম।”

মহিলাটি বললেন, “কি জন্য (অর্থাৎ কেন) তুই এটা করতে চেয়েছিলে?”

ছেলেটি বলল, “আমি এটা করতে চাইনি।”

তিনি (অর্থাৎ মহিলাটি) বললেন, “তুই একজন মিথ্যাবাদী!”

সেই সময় দু তিনজন লোক বেরিয়ে যাচ্ছিল, থামল, ঘুরে তাকাল, এবং কিছু লোক দাঁড়িয়ে দেখল।

“যদি তোকে আমি মুক্ত করে দিই (বা ছেড়ে দিই), তুই ছুটে পালাবি?” মহিলাটি জিজ্ঞাসা করল।

“হ্যাঁ ম্যাডাম”, ছেলেটি বলল।

“তাহলে আমি তোকে ছাড়বো না” মহিলাটি বললেন।

তিনি (অর্থাৎ মহিলাটি) তাকে (অর্থাৎ ছেলেটিকে) ছাড়লেন না।

“আমি খুবই দুঃখিত, মহাশয়া, আমি দুঃখিত।” বিড়বিড় করে ছেলেটি বলল।

“উঁহু! এবং তোর মুখটি অপরিষ্কার বা নোংরা। আমার খুব ইচ্ছে করছে তোর হয়ে তোর মুখটা বেশ করে পরিষ্কার করে দিই।

তোর বাড়িতে কি তোর মুখটা পরিষ্কার করার কথা বলার জন্য কেউ নেই?”

“না ম্যাডাম” ছেলেটি বলল।

“তাহলে এটা (অর্থাৎ মুখটা) পরিষ্কার হয়ে যাবে আজকের সন্ধ্যাতেই,” বিশাল চেহারার মহিলাটি বললেন রাস্তা দিয়ে হাঁটা শুরু করে, তার পিছনে ভীত ছেলে দিকে টানতে টানতে। তাকে (অর্থাৎ ছেলেটিকে) দেখতে লাগছিল যেন তার বয়স 14 অথবা 15, শীর্ণ এবং উইলো গাছের মত দুর্বল, টেনিস খেলার জুতোয় এবং নীল জিনসে।

মহিলাটি বললেন, “তুই আমার ছেলে হতে পারতিস (অর্থাৎ তুই যদি আমার ছেলে হতিস তাহলে), আমি তোকে শিখিয়ে দিতাম ভুল থেকে কিভাবে ঠিক করতে হয়। সবথেকে কম যা আমি ঠিক এখনই করতে পারি তা হল তোর মুখটা পরিষ্কার করে দেওয়া। তুই কি ক্ষুধার্ত?

“না ম্যাডাম”, টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া ছেলেটি বলল। “আমি শুধুমাত্র চাই আমাকে ছেড়ে দিন।”

“আমি কি তোকে জ্বালাতন করছিলাম যখন ওই বাঘ টা ঘুরছিলাম? “মহিলাটি জিজ্ঞাসা করলেন।

“না ম্যাডাম।”

“কিন্তু তুই নিজেই তো আমার সংস্পর্শে এলি”, মহিলাটি বললেন। “যদি তুই মনে করিস যে আমাদের এই পরিচয় বা সাক্ষাৎ টি দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তাহলে তোর মাথায় অন্য কোন চিন্তা আসছে। যখন একবার তোর সাথে আমার পরিচয় হয়েছে, মহাশয়, তোকে মনে রাখতেই হবে মিসেস লুয়েলা বেটস্ ওয়াশিংটন জোন্স কে।

ঘাম বেরিয়ে এল ছেলেটির মুখে এবং সে সংগ্রাম করতে শুরু করলো (অর্থাৎ নিজেকে ছাড়াতে টানাহেঁচড়া করতে লাগলো)। মিসেস জোনস থামল, ঝাঁকুনি মেরে তাকে (অর্থাৎ ছেলেটিকে) তার সামনে আনলেন, ছেলেটির বগলের নিচে দিয়ে হাত নিয়ে গিয়ে ঘাড় ধরলেন। এবং তাকে টানতে টানতে নিয়ে গেলেন রাস্তা ধরে। যখন তিনি তার দরজায় পৌঁছালেন, তিনি ছেলেটিকে টেনে ভেতরে নিয়ে গেলেন, একটা হল বরাবর, এবং বাড়ির পিছনের দিকে একটি বড় রান্নাঘর সমেত সাজানো বসার ঘরে নিয়ে গেলেন। তিনি সুইচ টিপে আলো জ্বালালেন এবং দরজাটি খুলে রাখলেন। ছেলেটি শুনতে পেল অন্যান্য কক্ষের মধ্যে লোকজনদের হাসাহাসি করতে এবং কথা বলতে ওই বিশাল বাড়িতে। কিছু কিছু কক্ষের দরজা খোলা ছিল, তাই সে জানল সে এবং ওই মহিলা শুধুমাত্র একাই ছিলেন না, মহিলাটি তখনো তাকে ঘাড়ে ধরেছিলেন তার ঘরের মাঝখানে।

তিনি বললেন, “তোর নাম কি?”

“রজার” ছেলেটি উত্তর দিল।

“তাহলে, রজার, তুই ওই বেসিনের কাছে যা এবং মুখটা ধুয়ে ফেল।” মহিলাটি বললেন, তারপর তাকে ছেড়ে দিলেন – অবশেষে। রজার দরজার দিকে তাকালো – মহিলার দিকে তাকালো – দরজার দিকে তাকালো – এবং বেসিনের কাছে গেল।

“জলটা পড়তে দে যতক্ষণ না গরম জল বের হয়”, তিনি বললেন। “এখানে একটা পরিষ্কার তোয়ালে আছে।”

“আপনি আমাকে জেলে নিয়ে যাবেন না?”ছেলেটি জিজ্ঞাসা করল, বেসিনের উপর ঝুঁকে।

“এই মুখে নিয়ে যাব না, আমি তোকে কোথাও নিয়ে যাবো না”, মহিলাটি বললেন। ” “আমি বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছিলাম কিছু রান্নাবান্না করার জন্য এবং তুই আমার টাকার ব্যাগটা ছিনিয়ে নিচ্ছিলি। হতে পারে যে তুই রাতের খাবার খাসনি, ভীষণ দেরী হয়ে গেছে, খেয়েছিস কি?”

“আমার বাড়িতে কেউ নেই”, ছেলেটি বলল।

“তাহলে আমরা খাওয়া-দাওয়া করব”, মহিলাটি বললেন, “আমি বিশ্বাস করি তুই ক্ষুধার্ত -অথবা ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিস – আমার টাকার ব্যাগটা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে।”

“আমি চেয়েছিলাম একজোড়া নীল রঙের নরম জুতো”, ছেলেটি বলল।

“ঠিক আছে, তোকে আমার টাকার ব্যাগ ছিনতাই করতে হোত না একজোড়া নরম জুতো কেনার জন্য”, মিসেস লুয়েলা বেটস্ ওয়াশিংটন জোন্স বললেন। “তুই তো আমাকে চাইতে পারতিস।”

“ম্যাডাম?”

তার মুখ থেকে জল ঝরে ঝরে পড়ছে, ছেলেটি তাকালো তার দিকে। দীর্ঘক্ষণ নীরবতা বজায় থাকলো। বেশ দীর্ঘক্ষণের নীরবতা। সে তার মুখটা শুকিয়ে নেওয়ার পর এবং কি করতে হবে না জেনে মুক্তি আবার মুছতে লাগল, ছেলেটি ঘুরল, ভাবতে লাগল এরপর কি হবে। দরজাটি খোলা ছিল। সে দৌড়ে পালিয়ে যেতে পারত হল বরাবর। সে পালাতে পারত, দৌড়, দৌড়, দৌড়, দৌড়।

মহিলাটি বসেছিলেন সোফা রূপ বিছানাটিতে। কিছুক্ষণ পর তিনি বললেন, “আমিও একসময় ছোট্ট ছিলাম এবং আমিও অনেক জিনিস চাইতাম যেগুলো পাইনি।”

আর একবার দীর্ঘ নীরবতা। ছেলেটির মুখটি হাঁ হয়ে গেল। তারপর সে ভ্রু কোঁচকালো, কিন্তু জানলো না কেন সে ভ্রু কুঁচকালো।

মহিলাটি বললেন, ” উম্ হুঁ! তুই ভাবলি আমি বোধহয় বলতে যাচ্ছি কিন্তু, বল তুই কি ভাবছিলি না?

তুই ভেবেছিলি, আমি বলতে যাচ্ছি, কিন্তু আমি লোকের টাকার ব্যাগ ছিনতাই করিনি। ঠিক আছে, আমি সে কথা বলতে চাচ্ছিলাম না।” নীরবতা। নিস্তব্ধতা। “আমিও কিছু জিনিস করেছি, যা আমি তোকে বলবো না, বাছা – ভগবানকে বলবো না, যদি তিনি ইতিমধ্যেই জানতে না পারেন। তাই তুই এখানে বস ততক্ষণ আমি খাবার কিছু তৈরি করি। ওই চিরুনিটা তোর চুলে চালাতে পারিস (অর্থাৎ ওই চিরুনিটা দিয়ে তুই চুল আঁচড়ে নিতে পারিস) যাতে তোকে উপস্থাপনযোগ্য দেখায় (অর্থাৎ যাতে তোকে লোকের কাছে নিয়ে যাওয়া যায়)।”

ঘরের আরেকটি কোনে পর্দার পিছনে একটি গ্যাসের প্লেট ও একটি বরফের বাক্স ছিল।

মিসেস জোনস উঠলেন এবং পর্দার পিছনে গেলেন। মহিলাটি ছেলেটিকে লক্ষ্য করলেন না এটা দেখার জন্য যে সে এখন ছুটে পালিয়ে যাচ্ছে কিনা, তিনি তার টাকার ব্যাগটিও লক্ষ্য করলেন না যেটি তিনি তার পিছনে ফেলে এসেছেন সোফা-রূপ বিছানায়। কিন্তু ছেলেটি বসতে যত্নবান হল কক্ষের একটা দূরবর্তী দিকে যেখানে সে (অর্থাৎ ছেলেটি) ভাবল তিনি (অর্থাৎ মহিলাটি) তাকে (অর্থাৎ ছেলেটিকে) সহজেই দেখতে পাবেন আড়চোখে বা ট্যারা চোখে। সে বিশ্বাস করল না যে মহিলাটি তাকে বিশ্বাস না করুক। এবং সে আর অবিশ্বস্ত হতে চায় না।

“আপনার কি কাউকে দরকার দোকানে যাওয়ার জন্য”, ছেলেটি জিজ্ঞাসা করল, “দুধ অথবা অন্যকিছু আনার জন্য?”

“আমার মনে হয় না কাউকে দরকার হবে”, মহিলাটি বললেন, “যদি না তুই নিজে মিষ্টি দুধ খেতে চাস, আমি কোকোয়া তৈরি করে ফেলছি আমার কাছে পাত্রে যে দুধ আছে তাই দিয়ে।”

“ওটাই ভালো হবে”, ছেলেটি বলল।

তিনি গরম করলেন কিছু লিমা বিন্স এবং শুয়োরের মাংস যেগুলো তার বরফের বাক্সে ছিল, কোকোয়া বানালেন, এবং টেবিল সাজিয়ে ফেললেন। মহিলাটি ছেলেটিকে কোন কিছুই জিজ্ঞাসা করলেন না সে কোথায় বাস করত, তার আত্মীয়-স্বজন, অথবা অন্যকিছু সম্পর্কে যা তাকে বিব্রত করতে পারে। তার পরিবর্তে, যখন তারা খাচ্ছিল, তিনি (অর্থাৎ মহিলাটি) তাকে (অর্থাৎ ছেলেটিকে) বললেন হোটেলের বিউটি শপ এ তার কাজের ব্যাপারে যেটা অনেক রাত পর্যন্ত খোলা থাকতো, কাজটি কেমন ছিল, এবং কেমন করে সমস্ত ধরনের মহিলারা আসতেন এবং যেতেন, সুন্দর চুলের মহিলা, লাল চুল ওয়ালা মহিলা, স্প্যানিশ মহিলা প্রভৃতি। তারপর তিনি 10 সেন্ট দামের কেকের অর্ধেকটা কেটে তাকে দিলেন।

“আরেকটু খা, বাছা”, তিনি বললেন।

যখন তাদের খাওয়া-দাওয়া শেষ হলো তিনি উঠলেন এবং বললেন, “এখন, এই যে, 10 ডলার নে এবং নিজের জন্য নীল রঙের নরম জুতো কিনে নিবি। এবং পরেরবার আমার টাকার ব্যাগ বা অন্য কারো টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ভুল করিস না কারণ অসৎ পথে আসা জুতো তোর মাকে পুড়িয়ে দেবে। এবারে আমাকে বিশ্রাম নিতে হবে। কিন্তু আমি ইচ্ছা প্রকাশ করি তুই ভালো ভাবে আচরণ করবি, বাছা, এখন থেকে।”

তিনি হল দিয়ে তাকে নিয়ে গেলেন সামনের দরজার কাছে এবং দরজাটি খুলে দিলেন। “শুভরাত্রি।”

ভালো করে আচরণ করো বাবা!” তিনি বললেন, রাস্তার দিকে তাকিয়ে।

ছেলেটি মিসেস লুয়েলা বেটস্ ওয়াশিংটন জোনসকে বলতে চেয়েছিল অন্য কিছু “ধন্যবাদ ম্যাডাম” ছাড়া, কিন্তু সে তা করতে পারলো না যখন সে ঘুরল অনুর্বর স্তুপ এর কাছে, এবং দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল চেহারার মহিলাটির দিকে ফিরে তাকাল। সে কোন রকমে বলল “ধন্যবাদ”, তিনি দরজাটি বন্ধ করার পূর্বে। এবং সে (অর্থাৎ ছেলেটি) তাকে (অর্থাৎ মহিলাটিকে) আর কোনদিন দেখতে পেল না।

Bengali Meaning of “The Eyes Have It”.

Bengali Meaning of Strong Roots by APJ Abdul Kalam.

Bengali Meaning of “Three Questions”.

দ্বাদশ শ্রেণীর প্রতিটি ইংরাজি পিস – এর বাংলা মানে পাওয়ার জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট onlineexamgroup.com

Share with your friends

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *